অতিবৃষ্টি, পাহাড়ি ঢল ও পাহাড় ধসে ক্ষতিগ্রস্ত ৭টি জেলায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রাণালয় হতে নগদ টাকাসহ ত্রাণসামগ্রী বরাদ্দ ও বিতরণ করা হয়েছে এবং ত্রাণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত
টানা ভারি বৃষ্টি ও উজানের ঢলে সৃষ্ট বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ১০ জেলার মানুষদের সহায়তায় ১ কোটি ২০ লাখ ৬৫ হাজার টাকা বরাদ্দ দিয়েছে অক্সফাম ইন বাংলাদেশ। পাশাপাশি সর্বোচ্চ ১ লাখ ৬০ হাজার মানুষের কাছে সহায়তা পৌঁছে দিতে ৩০ লাখ ইউরো তহবিল সংগ্রহের উদ্যোগ নিয়েছে।
শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলায় বন্যা ও বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত ৮০০ পরিবারের মধ্যে সরকারি ত্রাণ হিসেবে জেনারেল রিলিফের (জিআর) চাল বিতরণ করা হয়েছে
বন্যা ও ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য বাংলাদেশের ৯টি জেলায় ৬৩০টি ঘর নির্মাণে সহায়তা দেবে সৌদি আরব।
সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৮৪০০ পরিবারকে ঘর মেরামত, ব্যবসা পুনর্গঠন ও কৃষিকাজে অর্থ সহযোগিতা দিয়েছে আস সুন্নাহ ফাউন্ডেশন।
দেশে সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের ঋণ পরিশোধ ও সমন্বয়ে বাড়তি সুযোগ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় টিলাগাঁও ইউনিয়নে সাম্প্রতিককালের বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত দরিদ্র পরিবারের মাঝে এনজিও সংস্থা ওয়াফের উদ্যোগে গবাদিপশু বিতরণ করা হয়েছে।
রাঙ্গামাটির দুর্গম সাজেক এবং বঙ্গলতুলী ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে সেনাবাহিনী বাঘাইহাট জোনের উদ্যোগে আর্থিক অনুদান প্রদান করা হয়েছে।
সম্প্রতি স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যায় কুমিল্লার বিভিন্ন গ্রামীণ সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। যানবাহন চলাচলের ক্ষেত্রেও ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ভাঙনের কবলে অনেক সড়কে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে যোগাযোগ ব্যবস্থা। এ অবস্থায় স্বেচ্ছাশ্রমে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক সংস্কার করেছেন একদল তরুণ-যুবক। তাদের অর্থ দিয়ে সহযোগিতা করছেন প্রবাসীরা।
সাম্প্রতিক বন্যায় দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় ১১টি জেলায় মোট দুই হাজার ৭৯৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিদ্যালয়গুলো সংস্কারের জন্য প্রাথমিকভাবে প্রয়োজন হবে প্রায় ৩৩ কোটি টাকা।